কিভাবে বুজবেন সত্যিই সে আপনাকে ভালোবাসে কিনা

তাঁর চোখ দেখেই বুঝে যাবেন যে তিনি আপনাকে ভালোবাসেন, কি না

তবে সবাই হয়তো চোখের ভাষা বুঝতে সক্ষম হয়ে উঠেন না। সেই ক্ষেত্রে খেয়াল করবেন সেই মানুষটি আপনার পছন্দ বা অপছন্দের বিষয়ের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখছেন নাকি। যেমন: সারাক্ষণ তাঁর আপনার প্রতি খেয়াল রাখা, আপনাকে খুব প্রশংসা করা। “তোমাকে/আপনাকে তো আজ খুব সুন্দর দেখতে লাগছে” আপনার প্রতি প্রায়‌ই এই ধরণের মন্তব্য করা। ধরুন আপনি চটপটি বিশেষ পছন্দ করেন। সেই ক্ষেত্রে ঐ মানুষটি যদি আপনার অঞ্চলের সবচাইতে ভালো চটপটির দোকানের ঠিকানা সংগ্রহ করে আপনাকে সেখানে ট্রিট দেয় তাহলে আপনি ধরেই নিতে পারেন যে তিনি আপনাকে ভালোবাসেন।

আমি যে তাকে ভালোবাসি তা ওর রূপের জন্য ও নয়,গুণের জন্যে ও নয়।
ভালো না বেসে থাকতে পারি না বলে বাসি।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

আবার খেয়াল রাখুন, তাঁর দেয়া কোন জিনিস আপনার কাছ থেকে আর ফেরত নিচ্ছেন নাকি। মনে করুন, আপনি তাঁর কাছ থেকে একটি গল্পের ব‌ই নিয়ে পড়ার পর ফেরত দিতে গিয়ে দেখলেন যে তিনি ব‌ইটি আর ফেরত নিচ্ছেন না। এটাও কিন্তু তাঁর পক্ষ থেকে আপনার প্রতি ভালোবাসার ইঙ্গিত হতে পারে।

আবার আপনি কাছাকাছি থাকলেই আরেক জনের সাথে ফ্লার্ট করে বা আরেক জনের সাথে গোল গোল করে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে। এগুলো কিন্তু করা হতে পারে শুধুই আপনাকে জেলাস বা ঈর্ষান্বিত করবার জন্যে। এবং এটাও এক প্রকার আপনার প্রতি তাঁর দূর্বলতা প্রকাশ পাওয়া।

আপনার সাথে বেশি সময় ব্যয় করতে চাওয়া, আপনার একটা ফোন কল পাওয়ার সাথে সাথে তাঁর কাজ ফেলে আপনার কাছে পৌছে যাওয়া, আপনাকে সব ধরণের ঝামেলা থেকে দূরে রাখা, আপনার প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখা, আপনার সব কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা…. ইত্যাদি ইত্যাদি সবই তাঁর পক্ষ থেকে আপনার প্রতি গভীর টান প্রকাশ পায়। আর এটাই তাঁর আপনার প্রতি মানসিক দূর্বলতা এবং ভালোবাসা। আপনি সেই ভালোবাসায় সারা দিতেই পারেন। কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা পাওয়া জীবনে অনেক সৌভাগ্যের ব্যাপার।

কিন্তু এই ভালোবাসার মানুষটি যদি আপনার প্রতি Obsessed বা উন্মাদ প্রায় হয়ে যায় তাহলে সেই মানুষটি আপনাকে যতোই ভালোবাসুক না কেন তার কাছ থেকে দূরে থাকুন।

কারণ একজন অবসেসড ব্যক্তির পক্ষে আপনার জীবনকে সম্পূর্ণ ভাবেই বিষিয়ে তোলার জন্য যথেষ্ট। কথায় কথায়সন্দেহ করা, সারাক্ষণআপনাকে নজরে নজরে রাখা, সব কিছুর কৈফিয়ত চাওয়া এই অবসেসড ব্যক্তিদের স্বভাব।এই ধরণের ব্যক্তি শুধু নিজের শারীরিক চাহিদার ব্যাপারে‌ই বেশি খেয়াল রাখে।

You may also like...

Leave a Reply